মাল্টিমিডিয়া

Boi থেকে

মাল্টিমিডিয়া কি?[সম্পাদনা]

মাল্টিমিডিয়া বলতে বোঝায় পাঠ্য, শব্দ,স্থির এবং চলমান ছবির সমাহার যা কিনা তোমার মাউস ক্লিক বা কীবোর্ডে কিছু চাপার প্রতিক্রিয়া হিসেবে কিছু করতে পারে। এর বহুবিধ ব্যবহার আজকের পৃথিবীতে, যেমন বিজ্ঞাপন, শিল্পকলা, শিক্ষাক্ষেত্র, বিনোদন মাধ্যম, প্রকৌশল, চিকিৎসা, ব্যবসা, বৈজ্ঞানিক গবেষনা, ইত্যাদি। সব ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের সাফল্য বা আধিপত্যের একটি অন্যতম কারন মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য যেভাবে একসাথে এবং সুচারুভাবে উপস্থাপন করা যায়।

পাঠ্য[সম্পাদনা]

পাঠ্য শুধুই কিছু অক্ষর এবং শব্দের সমাহার নয়, কিছু অলঙ্করন দিয়ে এতে তুমি তোমার প্রয়োজনমত নতুন মাত্রা যোগ করতে পারো। নীচের উদাহরনটিতে তুমি এরকম দুটি অলঙ্করন দেখতে পাচ্ছ: ভিন্ন রঙ এবং লিপি ব্যবহার করে 'কলম' শব্দটিকে নতুন ব্যন্জ্ঞন দেওয়া হয়েছে।

Multimedia kolom.png

শব্দ[সম্পাদনা]

নীচের আইকনটিতে ক্লিক করলে তুমি কাউকে 'বাংলাদেশ' শব্দটি বলতে শুনতে পাবে, একে আমরা বলি অডিও ক্লিপ (audio clip)।

বাংলাদেশ অডিও ক্লিপ


এবারে নীচের আইকনটিতে ক্লিক করলে তুমি আরেকটি দীর্ঘতর অডিও ক্লিপ শুনতে পাবে।

আরেকটি অডিও ক্লিপ

স্থির চিত্র[সম্পাদনা]

নীচে আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন মহাকাশযানের তোলা মহাশূন্যের কিছু ছবি -- একটি ছবি এক হাজার শব্দের চেয়ে বেশী বাংময়, সুতরাং মাল্টিমিডিয়া দিয়ে তুমি অল্প পরিসরে অনেক তথ্য উপস্থাপন করতে পারো।


চাঁদ থেকে তোলা পৃথিবীর প্রথম ছবি ‌‌ চাঁদ থেকে তোলা পৃথিবীর প্রথম ছবি


শনির বলয়

শনির বলয়


পৃথিবীর আলোকসজ্জা

মহাশূন্য থেকে রাতের পৃথিবী। বিশ্বের অনেক বড় বড় শহরের রাতের বাতি দেখতে পাচ্ছ তুমি এই ছবিতে।

এনিমশন[সম্পাদনা]

নীচের মানুষের আঁকা চলমান, জীবন্ত ছবিটিকে আমরা বলি এনিমেশন (animation) -- তুমি দেখতে পাচ্ছ নিজ অক্ষের ওপর ক্লান্তিবিহীনভাবে ঘূর্নায়মান পৃথিবী।

Multimedia rotatingearth.gif

ভিডিও[সম্পাদনা]

ভিডিও বলতো বোঝায় চলমান ছবি -- যা কিনা তুমি টেলিভিশনে দেখে থাকো। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ধরনের প্রচুর ভিডিও ক্লিপ বিদ্যমান।

প্রতিক্রিয়াশীল বা ইন্টারএক্টিভ (interactive) উপস্থাপনা[সম্পাদনা]

তোমার ক্লাসের শিক্ষক তোমাকে অনেক ভাবে তোমাকে অন্ক বা বিজ্ঞান শেখাতে সচেষ্ঠ হন, এবং তোমার প্রশ্নের জবাব দিয়ে থাকেন, তাকে আমরা ইন্টারএকটিভিটি (interactivity) বা প্রতিক্রিয়াশীলতা বলে থাকি -- কারন তাঁর প্রতিক্রিয়া তোমার কাজ বা কথার ওপর নির্ভরশীল। ঠিক সেভাবে মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ইন্টারএকটিভিটি বা প্রতিক্রিয়াশীলতা তৈরী করা যায়। যেমন ধর, একটি প্রোগ্রাম তোমাকে বিজ্ঞানের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে -- তুমি মাউস ক্লিক করে নির্ধারন করছ কোন প্রশ্নের জবাব তুমি চাও। যেহেতু তোমার মাউসক্লিকের জবাবে প্রোগ্রামটি তথ্য উপস্থাপন করছে, আমরা একে ইন্টারএকটিভ উপস্থাপনা বলতে পারি। মাল্টিমিডিয়ার একটি বিশাল অংশ এই ধরনের ইন্টারএকটিভ তথ্য।